কিছু না করতে পারার কষ্টটা আমি এত ভালোভাবে ফিল করি, যা কেউ পারবে না। ব্যস্ততা হলো গডস বেস্ট গিভেন গিফট। অনেক রিসার্চ করলাম, তারপর হঠাৎ মনে হলো—হাতে তো বড় কিছু আর করার নেই, এখন আমি কোথায় যাবো? 🤔
ঢুকে গেলাম ইউটিউবে, শর্টসের ফালতামি দেখতে 📱
প্রথমে যে জিনিসটা দেখলাম, তা হলো “Jhol - By kejani”, ওটার স্লোড-রিভার্ব ভার্সন—খুব ছড়িয়েছে 🎧 এরপর দেখলাম স্পাইডার-ম্যানের একটা শর্ট 🕷️ এই টেমপ্লেটটা খুব সম্ভবত ক্যাপকাট প্রো-তে আছে; বহুবার দেখেছি—একটা নরমাল ক্লিপ থাকে, তারপর বেস্ট মোমেন্টসের কুইক কাটস ⚡ অ্যান্ড্রু গারফিল্ডের স্পাইডার-ম্যানটা দেখলাম।
এরপর ওই অসভ্য গানটা আসলো—
“ইফ ইউর ডান উইথ ইয়োর এক্স, মুভ ইট টু দ্য নেক্সট” 🎶
এরা কি ওপেন স্লাটকে ভালোবাসার নামে চালায়? 😐
যে জিনিসটা লিখতে এত বড় ইন্ট্রো দিলাম, তা হলো—একটা ঐশ্বরিক মিউজিকে মাথাটা আটকে গেল ✨
আর একটা প্রশ্ন—
এই চার নম্বর শর্ট, লাস্ট পাঁচ মিনিটে দেখলাম—সব শর্ট ৯২কে… ১৫০কে… ৩২কে লাইক পায় কীভাবে? 🤯 আমি দুই-চারটা লাইক পাই; এরকম কোনো শর্ট জীবনে দেখিনি।
এসএমএম প্যানেল দিয়ে কিনে? 💸
যেমন আমার কারেন্ট অ্যাবিলিটি দিয়ে সতেরো সেন্টে প্রায় এক লাখ লাইক কিনতে পারি, এসএমএমসান দিয়ে। এরা কি তাই করে?
প্রথমে ফেক কিনে জায়গা করে নেয়, তারপর ইউটিউব যখন ফেক ট্রাফিক কাটতে থাকে, ততক্ষণে মানুষ রিয়েল ভেবে লাইক দিয়ে দেয়?
এমন তিনবার রিপিট করলে—সতেরো গুণ তিন, একচল্লিশ সেন্ট—দিয়ে ম্যাজিকের মতো সবার শর্ট ফিডে চলে আসে? 😄 হয়তো এটাই।
চ্যানেল নেম: @hilalxkeraleeyar
মজার বিষয় না? হেলাল না হিলাল—তারপর যেন রাইম—কেরাল, তারপর ই, তারপর ইয়ার—ইয়ার মানে বন্ধু 😄 ফাটাফাটি ইউজারনেম।
শর্ট টাইটেল: মোস্ট বিউটিফুল ফরেস্ট রুট 🌿❤️
আথিরাপিল্লি হ্যাশট্যাগ—এইটুকুই চোখে পড়ে।
আথিরাপিল্লি মানে কী?
সাউন্ড ইউজড: সাইলেন্ট কনভারসেশনস – হেশাম আবদুল ওয়াহ… 🎼
পাশে অ্যালবাম আর্ট দেওয়া; যতটুকু দেখা সম্ভব লিখলাম। চমৎকার একটা সাউন্ড প্রোডিউস করেছে।
বিরানব্বই হাজার লাইক 😳
মানে ব্যাটা যেভাবেই হোক এত লাইক তুলেছে। ফোনে ডিসলাইক দেখা যায় না; কম্পিউটার লাগবে। এক হাজার সাতশ ঊনত্রিশ জন কমেন্ট করেছে। শেয়ার দেখা যায় না, কিন্তু চার লাখ বত্রিশ হাজার রিমিক্স—মানে প্রায় চার দশমিক তিন মিলিয়ন? 🤯
জায়গাটা শুট করা একটা হাইওয়ে 🛣️
আমাদের নারায়ণগঞ্জের লিংক রোডের মতো। দুই পাশে উঁচু উঁচু গাছ—এত লম্বা ডাল যে ডান-বাম একসাথে ছুঁয়ে একটা সবুজ পরিবেশ তৈরি করেছে 🌳 ঠিক আমাদের জালকুড়ি সাইডের লিংক রোডটার মতো।
এখানেও একটা লক্ষণীয় জিনিস আছে—রোডের বাম পাশে একটা ব্যানার। হুট করে চোখে পড়ে না 😄
লাল আর সাদা ডিজাইন, ভাসা ভাসা পড়া যায়—“ইউজ ওয়েস্ট বিন” লেখা, সব বড় হাতের অক্ষরে। “ইউজ ওয়েস্ট”টাই পরিষ্কার দেখা যায়।
ইউটিউব শর্টসের একটা জিনিস আছে, যা নরমালি আসে না—পজ করলে আসে ⏸️
একদম উপরে লেখা থাকে “শর্টস”; তার নিচে তিনটা বাটন—সাবস্ক্রিপশনস, লাইভ, ট্রেন্ডস। ডানদিকে সার্চের ম্যাগনিফাইং গ্লাস 🔍 আর তিন ডটের আইকন।
অনেকে জানে না—এই তিন ডটে গেলে শর্ট প্লেলিস্টে অ্যাড করা যায় 📌
অনেকেই পরে মনে রাখতে পারে না কী দেখছিল, হিস্ট্রি ঘাটতে হয়। কিন্তু প্লেলিস্টে থাকলে সহজেই বের করা যায়।
Anyway, যার যেমন ইচ্ছা বাঁচুক—কয়দিনের দুনিয়া এডা 🌍