
আজকের রাতটা আমার জীবনে অদ্ভুত রকম গুরুত্বপূর্ণ। কারণ—ধুরন্ধর ২ রিলিজ পেয়েছে। প্রায় ৪ ঘণ্টার সিনেমা! এখন পর্যন্ত যতটুকু দেখেছি, মনে হচ্ছে এটা হয়তো দাঙ্গাল-এর মতো রেকর্ডও ভেঙে দিতে পারে।
আমি জীবনে অনেক সিনেমা দেখেছি, কিন্তু ধুরন্ধর ১ আর এখন ধুরন্ধর ২-এর মতো এত layer, এত connection খুব কমই দেখেছি। পরিচালক আদিত্য ধর—লোকটা অসাধারণ স্ক্রিপ্ট লেখে। তার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো connection বানানো—একটা দৃশ্য থেকে আরেকটা, একটা emotion থেকে আরেকটা… সব যেন জুড়ে যায়।
তার আগের কাজ URI (2019)—এখনো দেখা হয়নি, কিন্তু দেখার ইচ্ছা হচ্ছে। একটু খোঁজ নিয়ে দেখলাম, সেখানে ভিকি কৌশল, ইয়ামি গৌতম, পরেশ রাওয়াল ছিল। বাজেট ছিল প্রায় ২০০ মিলিয়ন, আর রেটিংও বেশ ভালো (৮.২)। মজার বিষয়—ধুরন্ধর এর দুইটা পার্টেই ইয়ামি গৌতমকে “special thanks” দেওয়া হয়েছে। পরে জানলাম, ইয়ামি গৌতম আসলে আদিত্য ধরের স্ত্রী—এখন connection টা clear।
ধুরন্ধর সিরিজে character evolution-টা বেশ interesting। প্রথম পার্টে “রহমান ডাকাত”, আর দ্বিতীয় পার্টে রণবীর সিং—পুরো অন্য এক energy। আমার কাছে মনে হয়েছে:
👉 “rage = Ranveer Singh”
এই rage-টা পরিচালক যেভাবে ব্যবহার করেছে—খুব controlled, কিন্তু intense। সাধারণত বলিউডে পার্ট ২ গুলো প্রথমটার মতো জমে না, কিন্তু এখানে ব্যতিক্রম হয়েছে।
একটা ছোট detail—রণবীরের সিগারেট খাওয়ার স্টাইলটা চোখে পড়েছে। দেখতে অনেকটা ইন্দোনেশিয়ান গরম সিগারেটের মতো লাগে। এই ধরনের ছোট ছোট visual detail গুলো সিনেমাটাকে real feel দেয়।
আর একটা বড় মিল—দাঙ্গাল আর ধুরন্ধর—দুটোর মধ্যেই একটা common nuance আছে:
👉 “junoon” (জুনুন)
এই জুনুনটা মাথায় এক ধরনের নেশা ধরিয়ে দেয়—obsession আর passion-এর মাঝামাঝি কিছু।
মাঝে একটা প্রশ্নও আসে—সিনেমায় পাকিস্তান, আফগানিস্তান যেভাবে দেখানো হয়—ওগুলো কি আসলেই এতটা violent? নাকি cinematic exaggeration? হয়তো কিছু বাস্তব আছে, কিন্তু পুরোটা না।
আর হালকা curiosity—ভিকি কৌশলকে ক্যাটরিনা কাইফ কেন বিয়ে করলো? 😄 (এটা সিনেমার বাইরের thought, কিন্তু মাথায় চলে আসে)
সব মিলিয়ে—আমি বুঝতে পারছি, আমি শুধু সিনেমা দেখছি না…
আমি layer গুলো ধরছি, connection গুলো মিলাচ্ছি, আর নিজের মাথার ভিতরে একটা আলাদা সিনেমা বানাচ্ছি।
এটা হয়তো একটা সাধারণ review না—
👉 এটা আমার দেখা, আমার ভাবা, আর আমার অনুভবের মিশ্রণ।